
মাগুরার শ্রীপুরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) রোড মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার আমলসার ইউনিয়নে ছোটউদাস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে চন্ডীবর কালীমন্দির পর্যন্ত এলজিইডির ১০৪২ মিটার সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে। কিন্তু ওই সড়কের মধ্যে বৈদ্যুতিক চারটি খুঁটি আছে। যা অপসারণ না করায় সড়ক নির্মাণ সম্ভব হচ্ছে না এবং কাজ আটকে আছে—এমন অভিযোগ অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা কার্যালয়, ফিল্ডে সরেজমিন পরিদর্শন করে দুদক ঝিনাইদহ কার্যালয়ের একটি টিম।
দুদকের ঝিনাইদহ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. বজলুর রহমান বলেন, মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার আমলসার ইউনিয়নে ছোট উদাস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে চন্ডীবর কালীমন্দির পর্যন্ত এলজিইডির ১০৪২ মিটার সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে। কিন্তু ওই সড়কের মধ্যে বৈদ্যুতিক চারটি খুঁটি আছে। যা অপসারণ না করায় সড়ক নির্মাণ সম্ভব হচ্ছে না এবং কাজ আটকে আছে—এমন অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। আমরা সরেজমিনে এলজিইডি বাস্তবায়নাধীন ওই সড়ক পরিদর্শন করে দেখেছি বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো বিদ্যমান আছে, যা এখনো সরানো হয়নি।
তিনি বলেন, উপজেলা এলজিইডি ইঞ্জিনিয়ার এবং মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি শ্রীপুর জোনাল অফিসের ডিজিএমের সঙ্গে কথা বলেছি, কিছু ডকুমেন্টস সংগ্রহ করেছি। আমরা মাগুরা অফিস থেকেও কিছু ডকুমেন্টস সংগ্রহ করবো। এই ডকুমেন্টসগুলো যাচাই-বাছাই করে বিস্তারিত প্রতিবেদন কমিশনে দাখিল করা হবে। পরবর্তীতে কমিশনের নির্দেশের প্রেক্ষিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
দুদকের অভিযানের বিষয়ে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী প্রসেনজিৎ চক্রবর্তী বলেন, শ্রীপুর উপজেলার আমলসার হাট আমলসার ইউপি অফিস হতে ছোট উদাস বাস্তবায়নাধীন সড়কে চারটি বৈদ্যুতিক খুঁটি থাকায় সড়কে নির্মাণকাজ ব্যাহত হচ্ছিল—এমন অভিযোগ দুদকের কাছে আসে।
১৩ এপ্রিল মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বরাবর অর্থ পরিশোধ করেছে, এ ছাড়া দুদকের প্রতিনিধি দল সরেজমিনে প্রকল্পের সাইড পরিদর্শন করে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কথা বলে সড়ক নির্মাণের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করেন।
পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে দুদকের পরিদর্শন—এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি শ্রীপুর জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. শামীম উদ্দিন সাংবাদিকের জানান আমার বিষয়টি জানা ছিলো ১৩ এপ্রিল মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বরাবর অর্থ পরিশোধ করেছে,এবং আমরা ১৫ এপ্রিল মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ফোরয়াড করছি।
মাগুরা অফিস থেকে সেই দিনে ঠিকাদার কে কাজ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আমি আশা রাখি তিন দিনের মধ্যে পোলস্থানত্বাের করা হবে।