
মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.)মো:জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী মাদকের বিরুদ্ধে কঠিন হুশিয়ারী দিলেও উপদেষ্টার নিজ থানা মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে একাধিক মাদক মামলাসহ বিভিন্ন মামলার আসামী এলাকার চিহ্নিত মাদক সম্রাট শেখ সিফাতুল ইসলাম জনির নিরাপদ আস্তানা হিসেবে গড়ে উঠেছে সিরাজদিখান থানা।ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের নিয়ে এলাকায় পক্ষপাতিত্ব বিচার-শালিসির নামে হাতিয়ে নিচ্ছে অর্থ ও থানায় চলছে দিবানিশি রমরমা তদবির বানিজ্য।সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত থানা ও আশপাশের চায়ের দোকান গুলোতে তার দেখা মিলে ওসি কক্ষে বসেই করছে বিভিন্ন দেন-দরবার।এতে দেখা দিয়েছে জনমনে আতঙ্ক,উঠেছে বিভিন্ন প্রশ্ন।
উপজেলার রশুনিয়া ইউনিয়নের হিরনের খিলগাঁও গ্রামের মৃত রিপন শেখের ছেলে মাদক সম্রাট শেখ সিফাতুল ইসলাম জনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে জানান,জনির পরিবারের সবাই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত সবার বিরুদ্ধেই রয়েছে মাদক মামলা।সে এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী।বিগত দিনে জনির একাধিক অপকর্মের তথ্য বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ হওয়ার পরেও প্রশাসন কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনির মাদক ব্যবসার দৌরাত্ম বেড় যায়।তার বিরুদ্ধে রয়েছে চাঁদাবাজি, জবরদখল ও আওয়ামী লীগ নেতা এবং মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হলে সে থানায় এসে আসামী ছাড়িয়ে নিতে তদবির করার বিস্তর অভিযোগ।
এ ব্যপারে অভিযুক্ত মাদক সম্রাট শেখ সিফাতুল ইসলাম জনির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমার তো নিজস্ব কোন অফিস নাই।ছোট বেলা থেকেই থানার সামনে চায়ের দোকানে ও থানায় গিয়ে বসি এবং আমাকে লোকজন বিচার-সালিশের জন্য থানায় নিয়ে যায়।আপনার ও আপনার স্ত্রীর বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা থাকতে কিভাবে থানায় বিচার-সালিশ করেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান,অনেক দিন আগে ডিবি পুলিশ আমাকে ধরে নিয়ে গিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়েছে।
সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ শাহেদ আল মামুন জানান,আমি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য এখানে এসেছি।আমার কাছে সবাই আসতে পারে আর আমার জানামতে শেখ সিফাতুল ইসলাম জনি বিরুদ্ধে কোন মামলা নাই।তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে।