নিজস্ব প্রতিবেদক
ময়মনসিংহ জেলার ,ফুলবাড়িয়া উপজেলার ১০ নং কালাদহ ইউনিয়নের হোরবাড়ীর বাসিন্দা নূর ইবনে সাইফুদ্দিন সোহান। তিনি ময়মনসিংহ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পিয়নের চাকরি করেন। কয়েক বছর আগে একই গ্রামের কৃষক দুলাল মিয়ার ছেলে মামুন মিয়াকে পিয়ন পদে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে রূপালী ব্যাংকের চেক ও স্টাম্প পেপারে চুক্তিনামা এবং স্বাক্ষর করে আট লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন। বিভিন্ন সময় মামুন মিয়াকে প্রিয়নপদে চাকরির এডমিট কার্ড প্রদান করে। দীর্ঘ দিন অপেক্ষার পরেও কাঙ্খিত চাকরি না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েন মামুন ও তার পিতা দুলাল মিয়া। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ নিয়ে টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য সালিশি বৈঠক হয়। কোনক্রমেই টাকাটি ফেরত না পেয়ে প্রথমে আদালতের মাধ্যমে উকিল নোটিশ এবং পরবর্তীতে ময়মনসিংহ দায়রা জজ আদালতে সোহান মিয়ার নামে মামলা দায়ের করেন। যার মোকদ্দমা নং ১০৬০/২০২৫ ইং।
বর্তমানে আদালতে বিচারকার্য চলমান রয়েছে। এদিকে মামলা করার কারণে সোহান , দুলাল মিয়াকে বিভিন্ন সময় ভয় ভীতি দেখিয়ে আসছেন। সেই সাথে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন ও হামকি ধামকি দেন। মামলার বিষয়ে সোহান মিয়ার বাড়িতে গিয়ে তাকে না পেয়ে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। সে সময় মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। টাকা লেনদেনের বিষয়ে তার স্ত্রী তাহমিনা আক্তার সততা স্বীকার করেন। তিনি জানান মামুনের চাকরির ব্যাপারে তাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। সেই সাথে কিছু টাকা ফেরত প্রদান করা হয়েছে। এখনো দুই লক্ষ বিরাশি
হাজার টাকা বাকি রয়েছে। দুলাল মিয়া জানান ,আদালতের প্রতি তার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের রায়ের মাধ্যমে পুরো আট লক্ষ টাকা ফেরত পাবার প্রত্যাশা করেন।
বাণিজ্যিক
কার্যালয় : ৭৮/ই, পুরানা
পল্টন লেন বিজয় নগর,
ঢাকা-১০০০।
মোবাইল,ই-মেইল:
banglamatirnews@gmail.com