
মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
নারী সমাজ আজ নানামুখী অবক্ষয়,বৈষম্য ও নিরাপত্তাহীনতার শিকার বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতারা।তারা বলেন,বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় নারীদের অধিকার ও মর্যাদা চরমভাবে উপেক্ষিত হচ্ছে।ইসলামী মূল্যবোধ ও নৈতিকতার আলোকে ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে নারীদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার কোনো বিকল্প নেই।
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত নারী সমাবেশে এসব কথা বলা হয়। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় উপজেলার নিমতলা এলাকার সুখের ঠিকানাথ মাঠে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সিরাজদিখান ও শ্রীনগরের বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে বিপুলসংখ্যক নারী নেত্রী ও কর্মী অংশ নেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মুন্সীগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর নারী বিভাগের প্রধান বিউটি বেগম।প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মুন্সীগঞ্জ-১ (সিরাজদিখান–শ্রীনগর) আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক এ কে এম ফখরুদ্দিন রাজী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ফখরুদ্দিন রাজী বলেন, “মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সব ধরনের বৈষম্য দূর করে অবহেলার গ্লানি থেকে মুক্ত করতেই আমি এমপি হতে চাই।অতীতে এ এলাকার মানুষের যে আশা-আকাঙ্ক্ষা ছিল,নির্বাচিত হলে তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই অঞ্চলকে একটি মডেল ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন এলাকায় রূপান্তর করব।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর মুন্সীগঞ্জ জেলা আমির আ জ ম রুহুল কুদ্দুস,সিরাজদিখান উপজেলা সেক্রেটারি আকলিমা রহমান এবং শ্রীনগর উপজেলা নারী বিভাগের সেক্রেটারি সাবিনা আক্তার মুক্তা।
বক্তারা বলেন,নারী সমাজ আজ নানাভাবে নির্যাতন,অবক্ষয় ও বৈষম্যের শিকার।নারীদের নিরাপত্তা,সম্মান ও অধিকার রক্ষায় বর্তমান রাষ্ট্রব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ।এই সংকট থেকে উত্তরণে ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই বলেও তারা মন্তব্য করেন।
সমাবেশ শেষে দেশ,জাতি এবং নির্যাতিত মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরে সুখের ঠিকানাথ মাঠের সামনে থেকে একটি গণসংযোগ ও মিছিল বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেয়াইন ইউনিয়ন পরিষদের সামনে গিয়ে শেষ হয়।