
সিরাজগঞ্জ থেকে ফারুক আহমেদঃ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৩ রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা আসনে প্রার্থীর সংখ্যা ৪জন হলেও আজ প্রচারে শেষ দিন হলেও আপাতত ভোটের মাঠ চুষে বেড়াচ্ছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী এক সময়ের তুখার ছাত্র নেতা ভিপি আয়নুল হক, এবং ১১ দলীয় জোট বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত রিকশা প্রতীকের প্রার্থী হাফেজ মুফতি আব্দুর রউফ।
২৭ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর থেকেই ভিপি আয়নুল হক ও পাশাপাশি হাফেজ মুফতি আব্দুর রউফ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে নির্বাচনি এলাকা রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গার বিভিন্ন জায়গায় প্রায় প্রতিদিনই গণসংযোগ, উঠান বৈঠক, পথ সভা,মিটিং- মিছিল প্রচার- প্রচারণা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা লিফলেট বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন।ভোটের মাঠে প্রায় সবখানেই ধানের শীষ এবং দাঁড়িপাল্লার ফেস্টুন ব্যানারে ছেঁয়ে গেছে।
তবে লাঙ্গল, ঘোড়ার ফেস্টুন ব্যানার নির্বাচনী এলাকায় স্বল্পমাত্রায় চোখে পড়লেও ভোট প্রার্থনায় মানুষের দ্বারে দ্বারে প্রার্থীদের খুব একটা দেখা মেলে না বললেই চলে।সাধারণ ভোটাররা জানান, ভিপি আয়নুল হক ও হাফেজ মুফতি ছাড়া এ পর্যন্ত অন্যান্য দুইজন প্রার্থীর চেহারা তারা দেখেনিনি। আবার অনেক ভোটার ওইসব প্রার্থীর নাম- ধাম এবং নির্বাচনে যে প্রার্থী হয়েছেন তা ঠিকঠাক মতো জানেন না।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে- ৬৪, সিরাজগঞ্জ -৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হয়েছেন ভিপি আয়নুল হক, ,জামায়াত প্রার্থী হয়েছেন হাফেজ মুফতি আব্দুর রউফ সরকার, জাতীয় পাটির প্রার্থী হয়েছেন ফজলুল হক, স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন ইলিয়াস রেজা রবিন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র ২দিন বাকি থাকলেও সরেজমিনে দেখা যায়, ভোটার এবং সাধারণ মানুষের মাঝে তেমন কোনো ভোটের উৎসব আমেজ নেই। হাটবাজারের চায়ের দোকান গুলোতেও নেই কোনো নির্বাচনী বিষয় খোশগল্প। পোস্টার বিহীন নির্বাচন স্বল্প শিক্ষিত সাধারণ মানুষের কাছে এ যেন এক হাস্যকর বিষয়। অন্যদিকে নির্বাচনী এলাকার প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রান্তিক জনপদ ঘুরে দেখা যায় , বেশিরভাগ সাধারণ মানুষ জানেন না গণভোট কি? হ্যাঁ ভোট দিলে কি হবে? এবং না ভোট দিলে কি হবে? এর কোনটাই জানেন না তারা! সরকারিভাবে গণভোট সম্বন্ধে প্রচারণার কথা বলা হলেও প্রত্যন্ত গ্রামগঞ্জ এবং চরাঞ্চলে নেই তেমন কোনো প্রচার-প্রচারণা।
অধিকাংশ স্বল্প লেখাপড়া জানা ভোটাররা বলেন, আগামী ১২ তারিখে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তারা এমপি ভোট দিবেন, তবে গণভোটের ব্যালটে তারা কোনদিকে ভোট দিবেন এটা এখনো এসব অঞ্চলের মানুষের কাছে অজানা! আবার অনেক সাধারণ মানুষ আক্ষেপ করে বলেন হ্যাঁ ভোট না দিলে নাকি তাঁদের এনআইডি কার্ড বাতিল করা হবে! এমন নানা সংকট এবং সংশয়ের মধ্যে রয়েছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের অধিকাংশ ভোটার