সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি ফারুক আহমেদঃ
সিরাজগঞ্জের তিনটি উপজেলায় প্রতিটি বাড়ির আঙ্গিনায় পতিত জমিগুলিতে আম গাছে মুকুল ফাল্গুনি বাতাসে মিষ্টি ঘ্রাণ ছাড়াচ্ছে। ভোর মানেই অন্যরকম এক অনুভূতি, শিশিরভেজা বাতাসে মিশে থাকে আমের মুকুলের মিষ্টি ঘ্রাণ । বাড়ির আঙিনা, রাস্তার ধারে, পুকুরপাড় কিংবা বিস্তীর্ণ বাগান—সবখানেই গাছের ডালভর্তি হলদে-সবুজ মুকুলের সমারোহ। ঋতুরাজ বসন্ত যেন আগেভাগেই জানিয়ে দিচ্ছে—মধুমাস আর দূরে নয়, কিছুদিন পরেই রসাল আমে রঙিন হবে চারদিক। সকালের কোমল রোদে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, অনেক গাছেই পাতার চেয়ে মুকুল বেশি। বাতাসে ভেসে বেড়ানো সেই সুবাসে চারপাশ মৌ মৌ করছে। স্থানীয়দের বিশ্বাস, এমন মুকুল মানেই ভালো ফলনের আভাস। গ্রামবাংলার আম মানেই এক আবেগের নাম। বাংলা সাহিত্যে এলে মনে পড়ে জসীম উদ্দিন-এর অমর পঙ্ক্তি—ঝড়ের দিনে মামার বাড়ির আম কুড়াতে সুখ। সিরাজগঞ্জ জেলার তিনটি উপজেলার প্রতিটি গ্রামগুলোতে প্রতিটি আম গাছ মালিকদের এখন একটাই প্রত্যাশা ঝড়ের নয়, বরং অনুকূল আবহাওয়ায় ভরে উঠুক আমের ডাল, ঝরে না পড়ুক সম্ভাবনার মুকুল। মধুমাসের পূর্ণ স্বাদ পেতে এখনো কিছুটা সময় বাকি। কিন্তু তার আগেই মুকুলের ঘ্রাণে রঙিন হয়ে উঠেছে রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও উল্লাপাড়া উপজেলাগুলির ২৪ টি ইউনিয়নের প্রতিটি বাড়ির আঙ্গিনায়,পুকুরপাড়, রাস্তায়, বিভিন্ন অফিসের সামনে বসত ঘরের পাশে টিনের চাল ও ছাদের উপর । বসন্তের এই সুবাস যেন আগাম সুখের বার্তা—ডালে ডালে ঝুলবে রসাল আম, আর সেই আম ঘিরেই প্রাণ ফিরে পাবে গ্রামবাংলার অর্থনীতি ও স্বপ্ন।
বাণিজ্যিক
কার্যালয় : ৭৮/ই, পুরানা
পল্টন লেন বিজয় নগর,
ঢাকা-১০০০।
মোবাইল,ই-মেইল:
banglamatirnews@gmail.com