স্টাফ রিপোর্টার
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় নিজ বসতঘর থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছেন।নিহতের স্বজনদের দাবি,তাকে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে পালিয়েছে তার স্বামী।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার বাউশিয়া ইউনিয়নের চর বাউশিয়া মধ্যমকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত গৃহবধূর নাম রিনা আক্তার (২৫)।তিনি চর বাউশিয়া মধ্যমকান্দি গ্রামের সুমন মিয়ার স্ত্রী এবং একই উপজেলার টেঙ্গারচর ইউনিয়নের বৈদ্যারগাঁও গ্রামের মোহাম্মদ ইব্রাহিমের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্র জানায়,প্রায় ১২ বছর আগে পারিবারিকভাবে সুমন মিয়ার সঙ্গে রিনা আক্তারের বিয়ে হয়।তাদের দাম্পত্য জীবনে এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তান রয়েছে।পেশায় পেইন্টার সুমনের সঙ্গে গত ৩-৪ বছর ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রিনার ঝগড়াঝাঁটি চলছিল।মাঝে মাঝে তা হাতাহাতির পর্যায়েও পৌঁছাত।শনিবার সকালে প্রতিবেশীরা জানতে পারেন ঘরের বিছানায় রিনা আক্তারের লাশ পড়ে আছে এবং তার নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে।অন্যদিকে স্বামী সুমন মিয়া লাপাত্তা।
সুমন মিয়ার মা রুফিয়া বেগম বলেন,"শুক্রবার বিকেল চারটার দিকে সুমনের সঙ্গে রিনার কথা কাটাকাটি ও মারামারি হয়। বিষয়টি জানার পর আমরা তাঁদের মিটমাট করে দিই।রাতে তাঁদের মধ্যে কী হয়েছে তা আমার জানা নেই।সকালে সুমনের মেয়ে সিনহা এসে কান্নাকাটি করতে থাকলে আমি ঘরে গিয়ে রিনার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখি।সে কীভাবে মারা গেছে তা বলতে পারব না।
এদিকে নিহত রিনার মা সাকিনা বেগমের অভিযোগ,সুমন মাদকাসক্ত ছিল।মাদকের টাকার জন্য সে রিনাকে প্রায়ই মারধর করত এবং বাপের বাড়ি থেকে টাকা এনে দেওয়ার জন্য চাপ দিত।এসব বিষয় নিয়ে বিরোধের জের ধরে রিনাকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে সুমন পালিয়ে গেছে।আমি সুমনের ফাঁসি চাই।
এ বিষয়ে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ নকীব আকরাম হোসেন জানান,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে,তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।
বাণিজ্যিক
কার্যালয় : ৭৮/ই, পুরানা
পল্টন লেন বিজয় নগর,
ঢাকা-১০০০।
মোবাইল,ই-মেইল:
banglamatirnews@gmail.com