মো: ফাহাদ আল-আবিদ, গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি: গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলা বিভিন্ন দোকান গুলোতে সকাল থেকেই ঈদ কেনাকাটা করতে ভিড় জমাচ্ছে ক্রেতারা। জামা-কাপড়ে সাজিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন দোকানিরা। মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদুল ফিতরের সঙ্গে এবার যোগ হচ্ছে বাঙালির প্রাণের উৎসব পয়লা বৈশাখ। একসঙ্গে দুই উৎসবের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই ভিড় বাড়ছে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কেনাকাটা করতে আসছেন অনেকেই। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মার্কেট গুলোতে বেচাবিক্রি করতে দেখা গেছে। ক্রেতাদের পদচারণায় জমজমাট কাপড়ের দোকানগুলো।
উপজেলার মাওনা চৌরাস্তার কিতাব আলী মাস্টার টাওয়ারে আয়েশা বস্ত্রালয়ের মালিক আক্তার হোসেন বলেন, রোজার শুরুতে মানুষের আনাগোনা থাকলে ও বিক্রি ছিল কম। তবে বেশ কয়েক দিন ধরে পুরোদমে কেনাবেচা শুরু হয়েছে। অন্য বারের তুলনায় এবার সুতি কাপড়ের চাহিদা বেশি। ক্রেতারা সাধ্যের মধ্যেই পছন্দসই কাপড়ই কিনছেন। এবার পাইকারি বাজারে কাপড়ের দাম বেশি বলে ও জানান তিনি। দেশীয় শাড়ির মধ্যে সিল্ক, কাতান ও টাঙ্গাইলের শাড়ির চাহিদার পাশাপাশি গ্রাউন, থ্রি-পিচ ও বেবি সেট মেয়েদের পোশাকের চাহিদা এবার বেশি। আল-আমিন গামের্ন্টেসের মালিক আল-আমিন বলেন এ ঈদে গামের্ন্টস কাপড় বেশি বিক্রি হয়ে থাকে। তারপরে ও অতিরিক্ত আয়ের আশায় উপজেলার অনেক কারিগর এলাকার বাইরে চলে যায়। ফলে কারিগরের অভাবে সময় মত কাপড় ডেলিভারি দেওয়ার স্বার্থে বেশি কাপড় বুকিং নেওয়া সম্ভব হয় না। এবার সেলাইয়ের জন্য শার্ট প্রতি সাড়ে ৩ শত থেকে ৪ শত টাকা, প্যান্ট ও পাঞ্জাবি সেলাই প্রতিটি সাড়ে ৪ শত থেকে সাড়ে ৪ শত টাকা মজুরি নেওয়া হচ্ছে। টেইলার্সের শ্রমিকরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন।
অন্যদিকে ঈদকে সামনে রেখে শহরের ফুটপাতের দোকান গুলোতে ক্রেতা সাধারণের আছে উফছে পড়া ভিড়। গার্মেন্টস, কসমেটিকস, শাড়ি, জুতার দোকান গুলোতে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে সকল জায়গা ঘুরে দেখা গেছে পুরুষের তুলনায় নারী ক্রেতার উপস্থিতি অনেক বেশি।।
বাণিজ্যিক
কার্যালয় : ৭৮/ই, পুরানা
পল্টন লেন বিজয় নগর,
ঢাকা-১০০০।
মোবাইল,ই-মেইল:
banglamatirnews@gmail.com