মোঃ আক্তার হোসেন, সিলেট প্রতিনিধি:- স্ত্রী রেখেও অনলাইনে মেয়েদের সাথে মনোরঞ্জন, অতঃপর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মেয়েদের সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলির মাধ্যমে ভিডিও কলে অসামাজিক কার্যক্রম করাই মুজিবুর উরফে শ্যামল লন্ডনীর কাজ৷ এমন অভিযোগ গণমাধ্যমে তুলে ধরেন মুজিবুরের সাবেক স্ত্রী ডলি বেগম৷
তিনি আরো বলেন : মুজিবুরের আন্ডারে ৭/৮ জন মেয়ে কাজ করে কেও পর্যটনে গেলে মুজিবুর মেয়েদের দিন হিসাবে ভাড়া দেন, এবং ভারতীয় বর্ডার থেকে মাদক দব্য এনে বিক্রি করেন৷ মুজিবুর রহমান উরফের শ্যামল ইউকেতে থেকেও অসামাজিক কার্যকলাপের সাথে যুক্ত হয়ে অসংখ্য মেয়েদের সাথে ভিডিও কলে কথা বলে তাদেরকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে স্ক্রিনশট ও স্ক্রিনরেকর্ড করে পরবর্তীতে ব্লাকমেইল করে মেয়েদের দিয়ে দেহ ব্যবসারর কাজে লিপ্ত হইতে বাদ্য করার অভিযোগ উঠেছে।
তাহার সাবেক স্ত্রী ডলি বেগমকে অসামাজিক এবং চাঁদাবাজী কাজে যুক্ত করার জন্য অসংখ্যবার চেষ্টা করেন ডলি বেগম রাজি হন নাই পরবর্তীতে এক পর্যায়ে ডলি বেগম উক্ত অসামাজিক কাজে যুক্ত না হওয়ার ফলে মুজিবুর ডলি বেগম কে মৌখিকভাবে ডিভোর্স প্রদান করে তা শুনে ডলি বেগম, তার এসব অপকর্ম দেখে আমি ও আমার পরিবার মানুষিকভাবে ভেঙ্গে পড়ি এবং পরিবারের সকলের পরামর্শক্রমে তাকে ২০২১ সালে অসহায় মেয়েদের পক্ষে প্রতিবাদস্বরূপ ডিভোর্স প্রদান করেন।
তিনি বলেন,
২০০৮ সালের (৬ই জুন) বিশ্বনাথ উপজেলার উলুপাড়া দেওকলস এলাকার মোঃ তেরাব আলীর পুত্র লন্ডন প্রবাসী মুজিবুর রহমান ওরফে শ্যামল এর সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। বিয়ের ৩ মাস পর তিনি প্রবাসে চলে যান এর পরে নানান অপকর্মে আমাকে লিপ্ত করার চেষ্টা করেন তাতে আমি রাজি না হলে আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করেন বছরের পর বছর অতিক্রম হলেও তিনি আমার খুজ-খবর নেননি৷ ভরপোষণ না দিয়ে উল্টো তিনি একাধিক মেয়ের সঙ্গে তার অবৈধ সম্পর্ক চালিয়ে যান৷
মুজিবুর একেক সময় একেক মেয়ের সাথে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেয়েদের সাথে ভিডিও কলে মনোরঞ্জন করে এবং সব রেকর্ড করে রেখে ব্লাকমেইল করে পরবর্তীতে তাদের দিয়ে মাদক ব্যাবসা ও দেহ ব্যাসায় বাধ্য করে৷
ভবিষ্যতে কোনো মেয়েই যেন মোজিবুরের বিয়ের প্রলোভনের ফাঁদে নাফাসে তাহার মনোরঞ্জনের পাত্রীতে শিকার না হয় তাই সবাইকে সতর্ক করছি৷
ডলি বেগম আরো বলেন তার ক্ষমতার দাপট এত বেশি যে আমাকে বিভিন্ন মানুষের সাথে ছবিযুক্ত করে নানান সামাজিক মাধ্যমে আমার সম্পর্কে কুৎসা রটাচ্ছে এবং আমাকে প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে
তারই ধারাবাহিকতায় আমি নিরুপায় হয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধে গত ২৯/০৫/২০২৪ ইং তারিখে সিলেটের সাইবার আদালতে এই চক্রের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দাখিল করি, যাহার মামলা নং- ৯৮/২৪। আমি আশাবাদী অবিলম্বে নিরেপক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এ চক্রের বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
বাণিজ্যিক
কার্যালয় : ৭৮/ই, পুরানা
পল্টন লেন বিজয় নগর,
ঢাকা-১০০০।
মোবাইল,ই-মেইল:
banglamatirnews@gmail.com