
সিরাজগঞ্জ থেকে ফারুক আহমেদঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন আর কয়েক দিন মাত্র বাকী এখন শুধু দিন খনঃগণনা মাত্র। ৬৪সিরাজগঞ্জ- ৩ হারোনো আসনটি পুনরুদ্ধারে মরিয়া হয়ে ব্যাপক তৎপর চালাচ্ছ বিএনপি।২০০৮ সালের নির্বাচনে রায়গঞ্জ,তাড়াশ ও সলঙ্গার সংসদীয় আসনটি হাতছাড়া হয়ে যায়। ২০১৮ সালের নির্বাচনেও এই আসনটি হাতছাড়া হয়। এবার ২০২৬শে আবারো ৩ মাসে আগেও প্রধান প্রতিপক্ষ দল জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড.আব্দুস সামাদের কাছে হেরে যাওয়ার আশংকায় ভুগছিল দলটি।
ড.আব্দুস সামাদ দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী দলের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে জোটের জন্য তার মনোয়ন প্রত্যাহারের খবর শুনে খুশিতে আত্নহারা হয়েছিলেন বিএনপির স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীরা। জামায়াতের সাবেক প্রার্থী ড.আব্দুস সামাদসহ নেতা কর্মীরা খেলাফত মুসলিসের প্রার্থী হাফেজ মুফতি আব্দুর রউফের সাথে মাঠে শক্ত অবস্থানে কাজ করায় বর্তমানে বিএনপির জয়ের জন্য গলার কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন জয়ের ব্যাপারটি ততটা সহজ নয় ভাবছেন স্থানীয় ভোটেরা। তাই আসটি নিজেদের কাছে রাখতে প্রচুর পরিমাণ ঘাম ঝড়াতে হচ্ছে ভিপি আয়নুল হকসহ স্থানীয় নেতা কর্মীদেরকে।
সামনের নির্বাচনে এই আসনটি নিজেদের কাছে রাখতে তৎপর দলটির নেতা কর্মীরা। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উত্তর বঙ্গের সফরের পর থেকে দলের ভিতর পুরো দমে নির্বাচনীও হাওয়া লেগেছে। ভি,পি আয়নুল হক ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতর সঙ্গে যুক্ত দলের ত্যাগী নেতা। তিনি রায়গঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। যা এখন বিএনপির জন্য মর্যাদার লড়াই হিসেবে দাঁড়িয়েছে। দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে গণসংযোগ শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভাসহ ভোটারদের ধারে ধারে গেয়ে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রতিশ্রুত দিয়ে ধানের শীষের ভোট প্রার্থনা করছেন। এবং ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন তিনি। অন্যদিকে বসে নেই, ভাগ বসাতে চায় এই আসনটিতে জামায়াতের ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য- সমর্থিত জোট বাংলাদেশ খেলাফত মুসলিসের প্রার্থী হাফেজ মুফতি আব্দুর রউফ সরকার।
তিনিও বংলাদেশে জুলাই বিপ্লব পরবর্তী একটি আদর্শ জবাবদিহিমূলক,চাঁদাবাজ, ঘুষ ও দূর্নীতিমুক্ত ইনসাফভিত্তিক শাসন ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক সিরাজগঞ্জ ৩ গড়তে ১২ ফেব্রুয়ারি রিকশা মার্কায় ভোট চান তিনিও। ৩ আসনে নির্বাচনীয় উত্তাপ চরমে পৌঁছেছে। দিন যত ঘনিয়ে আসছে। ততই বাড়ছে প্রার্থীদের প্রচার প্রচারনা ও রাজনৈতিক হিসাব – নিকাশ আওয়ামীলীগ নির্বাচনে মাঠের বাইরে থাকায় এ আসনে এ বারে মূল লড়াই হবে বিএনপি ও জামায়াতে ইসালামী ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য – সমর্থিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী রিকশা প্রতীকে নির্বাচন কারী হাফেজ মুফতি আব্দুর রউফ সাথে। তেমনটি মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ ভোটরদের বড় একটি অংশ। এবারে ভোটে অংশ নিয়েছে জাতীয় পার্টির প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীকে ফজলুল হক, সতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীকে ইলিয়াস রেজা রবিন।
মাধাইনগর ইউনিয়নের ঝুরঝুরি গ্রামের ভোটার মতিন আকন্দ বলেন, ইতি পূর্বে অনেক প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতি ও গল্প শুনিয়েছি আর নয় যারা খালখনসহ রাস্তা -ঘাটেসহ আমাদের রায়গঞ্জ,তাড়াশ ও সলঙ্গার উন্নয়নমূলক কাজ করবেন। আমরা তাকেই ভোট দিবো।
রায়গঞ্জ উপজেলা সলঙ্গা থানার ৩নং ধুবিল ইউনিয়নের আমশড়া গ্রামের ভোটার আব্দুল মজিদ বলেন,যারা চাঁদাবাজী, ঘুষ দূর্নীতি ও সমাজে ন্যায়বিচার স্থাপন করবে এমনকি আমাদের সলঙ্গাকে পৌরসভা গঠনে কাজ করবে আমরা তেমনি সৎযোগ্য প্রার্থীকেই ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবো ইনশাল্লাহ।