
মোঃ রাজু মিয়া, বিশেষ প্রতিনিধিঃ আগামী কাল বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি হতে সারা দেশের ন্যায় দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের অধীনে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট-এসএসসি পরীক্ষা-২০২৪ শুরু হচ্ছে।
এবারের এসএসসি পরীক্ষায় ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৩৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। আগামী ১২ মার্চ এসএসসি পরীক্ষা শেষ হবে। আর ১৩ মার্চ হতে ২০ মার্চ পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মীর সাজ্জাদ আলী জানান, এবারের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় এই শিক্ষাবোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠেয় রংপুর বিভাগের ৮টি জেলার ২ হাজার ৭২৫টি স্কুল হতে ২৭৮টি কেন্দ্রের মাধ্যমে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৩৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে।
এর মধ্যে ছেলে ১ লাখ ৮৬১ জন ও মেয়ে ৯৫ হাজার ৫৭৫ জন। এসব পরীক্ষার্থীর মধ্যে নিয়মিত পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৬৩ হাজার ৫০৭, অনিয়মিত ৩৫ হাজার ৫৯৬ জন ও জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থী ৩৩৩ জন। বিজ্ঞান বিভাগে মোট ৯৬ হাজার ২৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৫২ হাজার ১৬৯ জন ও ছাত্রী ৪৪ হাজার ১০০ জন। মানবিক বিভাগে ১ লাখ ৫৪৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ৪৬ হাজার ৮২৩ জন ও ছাত্রী ৫৩ হাজার ৭২৬ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ২ হাজার ৬১৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ১ হাজার ৮৬ জন ও ছাত্রী ৭৪৯ জন। দিনাজপুর জেলায় ৬১টি কেন্দ্রের মাধ্যমে ৪০ হাজার ৮৫২ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। রংপুর জেলায় ৫০টি কেন্দ্রে ৩৪ হাজার ৭৭৭জন, গাইবান্ধায় ৪০টি কেন্দ্রে ২৭ হাজার ৪৪৪ জন, নীলফামারীতে ২৭টি কেন্দ্রে ২৩ হাজার ৫১৫জন, কুড়িগ্রামে ৩৪টি কেন্দ্রে ২২ হাজার ৯৮০ জন, লালমনিরহাটে ২০টি কেন্দ্রে ১৫ হাজার ৩৮৭, ঠাকুরগাঁয়ে ২৪টি কেন্দ্রে ২০ হাজার ১৮০ জন এবং পঞ্চগড় জেলায় ২২টি কেন্দ্রের মাধ্যমে ১৪ হাজার ৩০১ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।
দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মীর সাজ্জাদ আলী আরো জানান, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে এরই মধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। রংপুর বিভাগের ৮টি জেলার ৫৮টি উপজেলায় পরীক্ষার প্রশ্নপত্রসহ যাবতীয় উপকরণ পাঠানো হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসরোধে বিশেষ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পরীক্ষার আগে প্রতিটি পরীক্ষার প্রশ্নকোড দেয়া হবে, সেই প্রশ্নকোডের বাইরে প্রশ্নপত্র খোলা যাবে না। কেন্দ্র পর্যন্ত প্রশ্নপত্র সরবরাহের কাজে যারা নিয়োজিত থাকবেন, তাদের ক্লোজ মনিটরিংয়ের মধ্যে রাখা হবে। এ ব্যাপারে তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, আইন শৃঙ্খলাবাহিনী, সাংবাদিকসহ সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।