1. banglamatirnews@gmail.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. reajulislam853@gmail.com : reajulislam853@gmail.com reajulislam853@gmail.com : reajulislam853@gmail.com reajulislam853@gmail.com
  3. sumonbkb7@gmail.com : sumonbkb7@gmail.com sumonbkb7@gmail.com : sumonbkb7@gmail.com sumonbkb7@gmail.com
  4. banglamatirnewsads@gmail.com : User 1 :
গাইবান্ধায় প্রধান শিক্ষক কর্তৃক জাল সার্টিফিকেট দিয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনয়নের অভিযোগ | বাংলা মাটির নিউজ
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ব্যবসায়ী জামাল আকনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে সংবাদ প্রকাশের পর অনিয়মের টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে মুন্সীগঞ্জের ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে অজ্ঞাত ট্রাকের ধাক্কায় আহত- ২ উলিপুরের দুর্গাপুর বাজারে মৎস্য আইন বাস্তবায়ন অভিযান, অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ ও ধ্বংস এনএসআই এর বিশেষ অভিযান ৩ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, জরিমানা ৪ লাখ টাকা সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর (এনএসআই)-এর তথ্যের ভিত্তিতে সরকারি অনুমোদনবিহীন তিনটি রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যৌথ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।  অভিযানে অবৈধ বিজ্ঞাপনের বিলবোর্ড অপসারণের পাশাপাশি দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ সড়ক জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই ২০২৬) সকাল ১১টা ৫০ মিনিট থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সিরাজদিখান উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের লক্ষ্মীবিলাস গ্রামে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর (এনএসআই), মুন্সীগঞ্জ জেলা এবং সিরাজদিখান উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সরকারি অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত সিলভার গ্রীন সিটি হাউসিং প্রকল্প, নাভানা রিয়েল এস্টেট কোম্পানি এবং প্রিন্স সিটি-র অবৈধ বিজ্ঞাপনের বিলবোর্ড অপসারণ ও ভেঙে ফেলা হয়। একই সঙ্গে রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ২০ ধারায় সিলভার গ্রীন সিটি হাউসিং প্রকল্পকে ২ লাখ টাকা এবং নাভানা রিয়েল এস্টেট কোম্পানিকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা ঘোষ।  এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিনথিয়া হোসেন। অভিযান চলাকালে স্থানীয় গ্রামবাসী ভ্রাম্যমাণ আদালতকে জানান, সিলভার গ্রীন সিটি কর্তৃপক্ষ প্রায় ২০ বছর আগে লোহার রেলিং স্থাপন করে লক্ষ্মীবিলাস গ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। ফলে স্থানীয় বাসিন্দা, বিশেষ করে মুসল্লিরা মসজিদে যাতায়াতসহ দৈনন্দিন চলাচলে দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগের শিকার হন। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর (এনএসআই)-এর তথ্য এবং উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ওই রাস্তাটি পুনরায় জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হওয়ায় লক্ষ্মীবিলাস গ্রামের বাসিন্দারা স্বস্তি ও সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা জানান, রাস্তা উন্মুক্ত হওয়ায় এখন স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছেন এবং এ উদ্যোগের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। মুন্সীগঞ্জের ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের রাস্তা পার হতে গিয়ে গাড়ির চাপায় ভেঙ্গে গেলো নারীর দুই পা নওগাঁয় পিপলস সিটির জমি দখলচেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা জাতীয় সাপ্তাহিক মুক্ত বাংলা’র ব্যুরো প্রধান হিসেবে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন সাংবাদিক মোঃ আমিনুল ইসলাম মিঠু। রংপুরে বোরকার ভিতর থেকে গাঁজা উদ্ধার মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাব পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক, গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকার আহবান

গাইবান্ধায় প্রধান শিক্ষক কর্তৃক জাল সার্টিফিকেট দিয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনয়নের অভিযোগ

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৮৮ বার
গাইবান্ধায় প্রধান শিক্ষক কর্তৃক জাল সার্টিফিকেট দিয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি মনোনয়নের অভিযোগ

মোঃ মিঠু মিয়া
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধা সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বল্লমঝাড় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটিতে জাল সার্টিফিকেট ব্যবহার করে সভাপতি মনোনয়ন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম ও সহকারী প্রধান শিক্ষক তাজ উদ্দিনের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় এই ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সূত্র জানায়, ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বিদ্যালয়টির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মরহুম আজিজুর রহমান মাস্টার, যিনি গাইবান্ধার একজন শিক্ষানুরাগী ও খ্যাতিমান ব্যক্তি ছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে সরকারি নথিতে তথ্য বিকৃতি করে তার নাম বাদ দিয়ে তৎকালীন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মোজাম্মেল হক মণ্ডল-এর নাম প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হয়।

বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আব্দুস সামাদ আকন্দ অবসরে গেলে তার স্থলাভিষিক্ত হন বর্তমান প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম, যিনি অভিযোগ অনুসারে অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ পান। পরবর্তীতে বিদ্যালয়ে শুরু হয় শিক্ষক নিয়োগ বানিজ্য, পদোন্নতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের ধারাবাহিকতা।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক মণ্ডল তার ভাতিজা তাজউদ্দিন মণ্ডলকে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে বিশেষ সুবিধায় নিয়োগ দেন। বর্তমানে তিনিও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত আছেন বলে জানা গেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী, কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এডহক কমিটির সভাপতি হতে ন্যূনতম বি.এ.পাস প্রয়োজন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম ও তাজ উদ্দিন মিলে একচেটিয়া প্রভাব খাটিয়ে এইচএসসি পাসকৃত মোঃ আব্দুস সালাম নামে এক ব্যক্তির জাল বিএ সার্টিফিকেট সংযুক্ত করে সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন নিশ্চিত করেন।

তারা গত ৩১ জুলাই ২০২৫ তারিখে গোপনে বোর্ড থেকে অনুমোদন আনেন এবং পরবর্তীতে ২৪ আগস্ট ২০২৫ তারিখে জেলা প্রশাসকের কাছে তিনজনের নামসহ আবেদন করেন। পরবর্তীতে আইসিটি বিভাগের সহযোগিতায় আব্দুস সালামকে সভাপতি হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হলে বিষয়টি প্রকাশ পেয়ে যায়।

প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলামকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন,
আব্দুস সালাম বিএ পাসের ফটোকপি জমা দিয়েছিলেন, আমি তা বোর্ডে পাঠিয়েছি। আমার কাছে অফিস কপি নেই।
তবে, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে যেসব নথি জমা দেওয়া হয়েছিল, সেখানে সার্টিফিকেটটি কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয় সে প্রশ্নের জবাবে তিনি দায় এড়িয়ে বলেন,
সব কাজ ডিসি সাহেব করেছেন, এতে আমার কোনো হাত নেই।

সহকারী প্রধান শিক্ষক তাজ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, তিনি নিজে সার্টিফিকেট যাচাই করবেন বলে কথা দিলেও পরে আর যোগাযোগ করেননি।

অন্যদিকে সভাপতি পদে মনোনীত মোঃ আব্দুস সালাম-এর মোবাইল নম্বরে ফোন দিলে জনৈক মহিলা বলেন, এটা রং নাম্বার। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

জেলা প্রশাসকের আইসিটি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হলে উপ-সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ মামুন ও অফিস স্টাফ ফরহাদ হোসেন রহস্যজনক কারণে কোনো তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি, তহবিল ব্যয়সহ সব ক্ষেত্রেই অনিয়ম চলছে। যোগ্যতা নয়, বরং অর্থ ও রাজনৈতিক প্রভাবই নিয়োগের মূল ভিত্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অভিভাবকরা বলেন,
এই বিদ্যালয় আমাদের মেয়েদের আলোকিত করার কেন্দ্র ছিল। এখন দুর্নীতিবাজদের দৌরাত্ম্যের কারণে বিদ্যালয়টি ধ্বংসের পথে।

তাদের দাবি, দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে শিক্ষাঙ্গনে সুশাসন ও স্বচ্ছতা ফিরে আসে।

এই প্রতিবেদনটি স্থানীয় শিক্ষা ব্যবস্থার অনিয়ম ও প্রভাবশালীদের অপব্যবহারকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। তদন্ত হলে সত্য উদ্ঘাটনের সম্ভাবনা প্রবল।

Please Share This Post in Your Social Media

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

এনএসআই এর বিশেষ অভিযান ৩ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, জরিমানা ৪ লাখ টাকা সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর (এনএসআই)-এর তথ্যের ভিত্তিতে সরকারি অনুমোদনবিহীন তিনটি রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যৌথ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।  অভিযানে অবৈধ বিজ্ঞাপনের বিলবোর্ড অপসারণের পাশাপাশি দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ সড়ক জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই ২০২৬) সকাল ১১টা ৫০ মিনিট থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সিরাজদিখান উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের লক্ষ্মীবিলাস গ্রামে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর (এনএসআই), মুন্সীগঞ্জ জেলা এবং সিরাজদিখান উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সরকারি অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত সিলভার গ্রীন সিটি হাউসিং প্রকল্প, নাভানা রিয়েল এস্টেট কোম্পানি এবং প্রিন্স সিটি-র অবৈধ বিজ্ঞাপনের বিলবোর্ড অপসারণ ও ভেঙে ফেলা হয়। একই সঙ্গে রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ২০ ধারায় সিলভার গ্রীন সিটি হাউসিং প্রকল্পকে ২ লাখ টাকা এবং নাভানা রিয়েল এস্টেট কোম্পানিকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা ঘোষ।  এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিনথিয়া হোসেন। অভিযান চলাকালে স্থানীয় গ্রামবাসী ভ্রাম্যমাণ আদালতকে জানান, সিলভার গ্রীন সিটি কর্তৃপক্ষ প্রায় ২০ বছর আগে লোহার রেলিং স্থাপন করে লক্ষ্মীবিলাস গ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। ফলে স্থানীয় বাসিন্দা, বিশেষ করে মুসল্লিরা মসজিদে যাতায়াতসহ দৈনন্দিন চলাচলে দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগের শিকার হন। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর (এনএসআই)-এর তথ্য এবং উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ওই রাস্তাটি পুনরায় জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হওয়ায় লক্ষ্মীবিলাস গ্রামের বাসিন্দারা স্বস্তি ও সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা জানান, রাস্তা উন্মুক্ত হওয়ায় এখন স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছেন এবং এ উদ্যোগের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বাংলা মাটির নিউজ

MPTBD
সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৩:৫৫
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৬:৪৯
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:০১
  • ১২:০৮
  • ৪:৪৩
  • ৬:৪৯
  • ৮:১২
  • ৫:২৪

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
সোম মঙ্গল বুধ বৃহঃ শুক্র শনি রবি
« জুন    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  

All rights reserved © 2026 |  বাংলা মাটির নিউজ
Design by Raytahost