
মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ
দলীয় কোনো পদ নেই,নেই অঢেল সম্পদ বা রাজনৈতিক প্রভাব।তবুও বিএনপির প্রতি ভালোবাসা আর সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা থেকেই তাঁর কুলখানি উপলক্ষে প্রায় ৪০০ মানুষের জন্য খাবারের আয়োজন করেছেন টঙ্গীবাড়ির এক সাধারণ মানুষ।
তিনি শহীদ খান।মুন্সীগঞ্জের টংঙ্গীবাড়ী উপজেলার দিঘীরপাড় ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বেহেরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির আদর্শে বিশ্বাসী হলেও তিনি কখনো দলীয় কোনো পদে ছিলেন না।সীমিত আয়ের মানুষ হয়েও নিজের সামর্থ্যের মধ্যে এই আয়োজন করে এলাকায় মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর বেহেরপাড়া গ্রামে কুলখানির আয়োজন করা হয়।জুমার নামাজ শেষে স্থানীয় মসজিদে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে মুসল্লি ও এলাকাবাসী অংশ নেন।
দোয়া শেষে গরুর মাংস দিয়ে রান্না করা খিচুরি প্রায় ৪০০ মানুষের মাঝে পরিবেশন করা হয়।খিচুরির সঙ্গে ডিমসহ অন্যান্য খাবারও দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে শহীদ খান বলেন,আমি কোনো বড় নেতা নই,আমার কোনো পদ-পদবি বা সম্পদ নেই।কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া আমাদের কাছে গণতন্ত্রের প্রতীক। জুমার দিনের দোয়ার মাধ্যমে তাঁর জন্য মাগফিরাত কামনা করতে পারাটাই আমার কাছে বড় প্রাপ্তি।
এলাকাবাসীরা জানান,একজন সাধারণ মানুষ হয়েও রাজনৈতিক নেত্রীর প্রতি এমন শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা বিরল। শহীদ খানের এই উদ্যোগ এলাকায় প্রশংসিত হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে,এটি শুধু একটি কুলখানি আয়োজন নয়,বরং একজন সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ নেত্রীর প্রতি সম্মান,ভালোবাসা ও মানবিকতার প্রকাশ।