মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ
আসন্ন সিরাজদিখান উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়ে অন্যান্য প্রার্থীদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইচ্ছে প্রকাশ পোষন করে নির্বাচনে অংশ গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক ও উপজেলা পরিষদের (অস্থায়ী) চেয়ারম্যান মঈনুল হাসান নাহিদ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিরাজদিখান উপজেলা পরিষদের (অস্থায়ী) চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক মঈনুল হাসান নাহিদ তৃণমূল থেকে উঠে আসা রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মধ্যে অন্যতম একজন। তার মামা উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও কেয়াইন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সততার সহিত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি জণসেবামূলক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে আসছেন রাজনৈতিক জীবন শুরুর পর থেকেই।
তরুণ, মেধাবী পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ সম্পন্ন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে স্থানীয় ভাবে তার অবস্থান অনেকটাই শক্ত পোক্ত করেছেন মঈনুল হাসান নাহিদ। গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রথম বারের মত উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর দাপ্তরিক ভাবে জণসাধারণকে নিরঙ্কুশ সেবা প্রদানের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক খেলাধুলা ও সমাজ সেবামূলক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে আসছেন মঈনুল হাসান নাহিদ।
জানা যায়, উপজেলার দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে পরিশ্রমী তরুণ, পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ ও মেধাবী নেতৃত্ব হিসেবে মঈনুল হাসান নাহিদের নিজস্ব স্বচ্ছ ব্যক্তি ইমেজসহ রাজনৈতিক অঙ্গনে তার সমমানের গুরুত্বও রয়েছে। এদিকে পরিশ্রমী, তরুন ও স্বচ্ছ ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মঈনুল হাসান নাহিদকে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী করার উদ্যোগ সম্প্রতি দলীয় ভাবেও নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। বিগত ৫ বছর স্বচ্ছতার সাথে ভাইস চেয়ারম্যান ও সাম্প্রতিক সময়ে উপজেলা পরিষদের অস্থায়ী চেয়ারম্যানের দায়ীত্ব পালনের কারণে মঈনুল হাসান নাহিদের উপজেলা জুড়ে ব্যপক সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিচিতিসহ অসংখ্য সমর্থক রয়েছে।
এছাড়া সাংগঠনিক কর্মদক্ষতা ও কর্মী বান্ধব নেতা হওয়ার সুবাদে উপজেলা জুড়ে তার অসংখ্য নেতাকর্মীও রয়েছে। অন্যদিকে মঈনুল হাসান নাহিদ বিভিন্ন সভা সমাবেশে জনসাধারণের কাছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে তিনি তার সকল যোগ্যতা ও দক্ষতা দিয়ে উপজেলার অবহেলিত জণসাধারনের জীবনের মান উন্নয়নের পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও কাজ করবেন মর্মে অঙ্গিকার করে আসছেন।
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে উপজেলার জনসাধারণের সেবা করা ছাড়া তাঁর ব্যক্তিগত কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই।কারণ রাজনৈতিক পদ পদবী ছাড়াও তার নিজস্ব একাধিক ব্যবসা ও বিশালাকারের খামার রয়েছে।যা থেকে বাৎসরিক তার মোটা অঙ্কের অর্থ আয় হয়ে থাকে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক গণের অভিমত বিবেচনায় আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অন্যান্য প্রার্থীদের ভীড়ে উপজেলার মানুষ পরিশ্রমী, তরুন মেধাবী স্বচ্ছ ব্যক্তিত্বের অধিকারী মঈনুল হাসান নাহিদকে নিশ্চিত ভাবেই বেছে নেবে মর্মে ধারণা করা হচ্ছে।