
মোঃ রাজু মিয়া, বিশেষ প্রতিনিধিঃ উদ্ভাবনের আট বছর পর গতি আসছে পলিথিনের বিকল্প পাটের সোনালি ব্যাগ উৎপাদনে। পরিবেশবান্ধব এই ব্যাগের উৎপাদন বাড়াতে ১০০ কোটি টাকা দিচ্ছে সরকার, যা দিয়ে ডেমরার লতিফ বাওয়ানি জুট মিলে গড়ে উঠবে নতুন কারখানা। দৈনিক উৎপাদন হবে ১০ লাখ সোনালি ব্যাগ।
পরিবেশবান্ধব এই ব্যাগ দেখতে সাধারণ পলিথিনের মতোই তবে তা পচনশীল। ২০১৬ সালে পাটের আঁশ থেকে সূক্ষ্ম সেলুলোজ আহরণ করে তাতে রাসায়নিক মিশিয়ে সুনির্দিষ্ট তাপমাত্রায় পরিবেশবান্ধব সোনালি ব্যাগ উদ্ভাবন করেন বিজ্ঞানী ড. মোবারক আহমদ খান। ঢাকার ডেমরায় শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে সরকারি লতিফ বাওয়ানি জুট মিলে সীমিত পরিসরে চলছে সোনালি ব্যাগের উৎপাদন।
বর্তমানে কারখানায় কাজ করছেন দুই বিজ্ঞানীসহ মাত্র ছয়জন শ্রমিক। মিনিটে ৬০ পিস ব্যাগ তৈরির সক্ষমতা থাকলেও নানা সীমাবদ্ধতায় এই কারখানায় দৈনিক উৎপাদিত হচ্ছে মাত্র ২৫০ পিস ব্যাগ, যা আবার রফতানি হচ্ছে ইউরোপ, আমেরিকা ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে। সম্ভাবনা থাকলেও গেল ৮ বছরে সোনালি ব্যাগের বাণিজ্যিক উৎপাদনে এগিয়ে আসেনি বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান। অবশেষে দেশে সোনালি ব্যাগের ব্যবহার বাড়াতে এগিয়ে এসেছে সরকার। পরিবেশবান্ধব এই ব্যাগ উৎপাদনে নেয়া হয়েছে ১০০ কোটি টাকার প্রকল্প।‘