
স্টাফ রিপোর্টার:
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে পুকুরে অনধিকার প্রবেশ করে টেটা দিয়া মাছ ধরায় বাধা দিলে টেটাবিদ্ধ রায়হান (২১) রায়হান (২১) নামে দুইজন সহ আহত হয়েছে ৩ জন।
মঙ্গলবার ২৬ মে রাত ৮ টার দিকে উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের কুচিয়ামোড়া বড়বর্তা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।এবিষয়ে উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের কুচিয়ামোড়া বড়বর্তা গ্রামের মৃত আব্দুল বারেক মিয়ার ছেলে মোঃ নজরুল ইসলাম (৪৮) বাদী হয়ে ৮ জনকে আসামী করে সিরাজদিখান থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের কুচিয়ামোড়া বড়বর্তা গ্রামে ২৬ মে রাত অনুমান ৮ টার দিকে বাদীর বাড়ীর পশ্চিম-দক্ষিণে একটি পুকুরে বাদীর ভাতিজা জোবায়ের (২২),পিতা-জাহিদ শেখ,আমার ভাতিজা ফাহাদ শেখ (২০),আমার ছেলে রিফাত শেখ (২০),আমার ছেলের বন্ধু রায়হান (২১),পিতা-মিলন পুকুর দেখতে গেলে তখন দেখতে পায় বিবাদীগন পুকুরে অনধিকার প্রবেশ করে টেটা দিয়া মাছ ধরতেছে।বিবাদীদের বিনা অনুমতিতে মাছ ধরার কারন জানতে চাইলে বিবাদীগন বাদীর ছেলে ও ভাতিজাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে বাদীর ছেলের বন্ধু রায়হান (২১)-কে হত্যার উদ্দেশ্যে বিবাদীগন টেটা নিক্ষেপ করে উক্ত টেটা রায়হান (২১) এর ধাম পায়ে লেগে এক পাশ দিয়ে ঢুকে আরেকপাশ দিয়ে বের হয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে ও ভাতিজা জোবায়ের (২২) এর বাম পায়ের নিচে লেগে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয় ও বাদীর ছেলে রিফাত শেখ (২০) কে এলোপাতাড়ি বিল-ঘুষি,লাথি সহ তাহাদের সাথে থাকা লাঠি-সুঠা দিয়ে এলোপাথারী বাইরাইয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নিলাফুলা জখম করে।বাদীর ছেলে ও ভাতিজাদের ডাক-চিৎকারে বাদী সহ আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে বিবাদীগন বাদী সহ ভিকটিমদের প্রাণ নাশের হুমকি সহ বিভিন্ন ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে চলে যায়। আশেপাশের লোকজনের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে বাদীর ভাতিজা জোবায়ের (২২)-কে চিকিৎসা প্রদান করে এবং ছেলের বন্ধু রায়হান (২১) এর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাহাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।বর্তমানে রায়হান (২১) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ মো:আব্দুল হান্নান জানান,অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।