
স্টাফ রিপোর্টারঃ:
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের চাইনপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আওলাদ হোসেন (৬৫) অপহরণ ও হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা পুলিশ।এ ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাটিচাপা দেওয়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।বুধবার(১ জুলাই) মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়,গত ৯ মে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন আওলাদ হোসেন।পরদিন তার ভাই সিরাজদিখান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে ২৩ মে নিহতের ছোট ভাই বেলায়েত হোসেন বাদী হয়ে আওলাদ হোসেনের স্ত্রী রানী বেগম,মানিক বেপারীসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে অপহরণ মামলা দায়ের করেন।তদন্তের একপর্যায়ে গত ৩১ মে মানিক বেপারীকে আটক করা হয়।পরে ৩০ জুন সাভারের একটি ডেইরি ফার্ম থেকে সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই রাতে রিপন ও বিন আমিন শেখকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চাইনপাড়া গ্রামের একটি গরুর ফার্মের রান্নাঘরের মেঝের নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় আওলাদ হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।পুলিশের দাবি, আওলাদ হোসেন তার স্ত্রী রানী বেগমের নামে জমিজমা লিখে দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং পুনরায় বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।এ নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।
ঘটনার দিন মানিক বেপারী কৌশলে আওলাদ হোসেনকে একটি গরুর ফার্মে ডেকে নিয়ে যান।সেখানে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে তাকে হত্যা করা হয়।পরে মরদেহ গোপনে মাটিচাপা দেওয়া হয়।গ্রেফতারকৃতরা হলেন-মানিক বেপারী(৩০), সাইফুল ইসলাম(৪২),রিপন (৩৪) ও বিন আমিন শেখ(৩৫)। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।