
চাষা জহির :
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলাস্থ ধলিয়া গ্রামের উপর দিয়ে ধলিয়া টু ভরাডোবা রাস্তাটির পাকাকরণ ধলিয়াবাসীর প্রাণের দাবি।ধলিয়া বাংলাদেশের অন্যতম মডেল গ্রাম হওয়া সত্ত্বেও ধলিয়া বাজারের পশ্চিমাংশের মানুষ যোগাযোগ সুবিধাবঞ্চিত।
২০০০ সালের পর থেকে ভালুকায় বহু সংসদ সদস্য ও ধীতপুরে বহু চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছে।কিন্তু সবাই এ রাস্তাটি নিয়ে উদাসীনতার পরিচয় দিয়েছে।সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল আলমের সময়ে বাজারের পশ্চিমাংশ থেকে রাস্তাটির কাজ শুরু হয়ে ৫০০-৬০০ ফুট এবং বর্তমান চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান খান শারফুলের সময়ে ৩০০ ফুট এইচবিবিকরণ সম্পন্ন হয়।এত বছরে এত জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটির এক কিলোমিটারেরও বেশ অংশ কাচা রয়েছে। নবনির্বাচিত সংসদ আলহাজ্ব আব্দুল ওয়াহেদ রাস্তাটি সম্পন্ন করে দিবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের আমলেই এই রাস্তাটির কাজ পরিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বলে এলাকাবাসী আশায় বুক বেঁধেছে।
ধলিয়া একটি সমৃদ্ধ গ্রাম হওয়ার পরও শুধু রাস্তাটির দূর্দশার কারণে এলাকাবাসীর মনে ঘোর হতাশা বিরাজমান।স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকার পরও প্রতিষ্ঠানগুলোতে সম্পূর্ণ দেয়ালিয়া ও বহুলীর একাংশের শিক্ষার্থীরা ধলিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোতে পড়াশোনা করেনা।বিশেষ করে বর্ষাকালীন দূর্ভোগের কারণেই এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হচ্ছেনা।বর্ষার পানিতে রাস্তাটির অধিকাংশে গর্তময় ডোবায় পরিণত হয়।রোগী,শিশু ও বৃদ্ধদের কাছে রাস্তাটি যেন এক বিরাট আতঙ্ক।বাইরের এলাকার মানুষ রাস্তার সমস্যার জন্য এলাকায় ছেলে-মেয়ে বিয়ে দিতেও কুন্ঠাবোধ করে।এলাকার অনেক হতদরিদ্র মানুষ গাড়ী চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে,কারখানায় চাকুরি সংসার চালায় অনেক মানুষ।রাস্তাটির জন্য তাদের সংসারের চাকাও ঠিকমত ঘুরছেনা।
সরেজমিনে গিয়ে রাস্তাটির বেহাল দশা দেখে গাঁ শিউরে উঠে।আধুনিক ধলিয়ার মানুষ এই রাস্তাটি নিয়ে কত বিপাকে আছে,তা না দেখলে বুঝা যাবেনা।রাস্তাটির মরাপোড়া নামক অংশে একটি ব্রীজের চারদিকের মাটি সরে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে।দানবীর খ্যাত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আব্দুল ওয়াহেদ ধলিয়াবাসীর ভোটের প্রতিদান এই রাস্তাটির সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমেই দিবেন বলে স্থানীয়দের বিশ্বাস ও আস্থার কমতি নেই।
এ রাস্তাটি বাস্তবায়ন হলে দশ হাজারেরও বেশি লোকের যাতায়াতের সুবিধা হবে,এলাকার অর্থনৈতিক চাকা সচল হবে,কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে,জনজীবনের দূর্ভোগ কমবে,শিক্ষার হার বাড়বে,ধলিয়ার কীর্তিমানদের প্রাণের বাস্তবায়িত হবে এবং সর্বোপরি ধলিয়া আধুনিক মডেল গ্রাম হিসেবে গোটা দেশে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।অচিরেই এ রাস্তাটির পাকাকরণ হোক – প্রত্যাশা ধলিয়া সহ পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের।