
মোঃ রাজু মিয়া বিশেষ প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রাম পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম ও সতর্কতামূলক প্রচারণার পরও গতকাল কুড়িগ্রামে ধরলা সেতুর পশ্চিম প্রান্তে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় অকালে ঝরে গেলো দু’টি তাজা প্রাণ। কুড়িগ্রামে প্রায় প্রতিদিনই ছোট বড় সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে।
সর্বশেষ কুড়িগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র সাদিক ও হিমুর মর্মান্তিক মৃত্যু। এই মৃত্যুর দায় কাকে দিবেন! কুড়িগ্রামে লাইসেন্স, হেলমেট ছাড়া ঝড়ের বেগে মোটরসাইকেল নিয়ে ছুটে বেড়ায় তরুন, যুবক এমনকি শিশুরাও! ট্রাফিক পুলিশ আটকালে পরিবারের রাজনৈতিক নেতা বা বড় ভাই দের ফোন দিয়ে ছাড়িয়ে নিতে বাধ্য করা হয়! রাতের বেলা কুড়িগ্রামের অন্যতম ব্যস্ত সড়কে মোটরসাইকেল নিয়ে গেলো দুই কিশোর। নিশ্চিতভাবে বলা যায় তাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিলোনা। মোটরসাইকেল নিয়ে বের হওয়ার সময় পরিবারের সদস্যরা কি বাঁধা দিয়েছে? হয়তো বাঁধা দিয়েছে কিন্তু তারা শোনেনি! কিন্তু পরিবারের সদস্যদের বিশেষ করে বাবা – মায়ের উচিৎ ছিল তাদের নিবৃত করা। মোটরসাইকেল নিয়ে যাতে বের হতে না পারে তা নিশ্চিত করা।
হিমু সাদিকের মৃত্যু আমাদের জন্য সতর্ক বার্তা। তাদের মর্মান্তিক মৃত্যুর পরও যদি বাবা মা, পরিবারের সদস্যরা সতর্ক না হয়, সন্তানের আবেগবে প্রাধান্য নিয়ে মোটরসাইকেলের চাবি হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয় তাহলে আপনাকেও একই পরিনতি বরণ করতে হতে পারে! তাই সময় থাকতে সচেতন হোন।