
মোর্শেদা আক্তার: নারায়ণগঞ্জের ১ নং রেল গেইট সংলগ্ন, অসহায় মানুষের জন্য ত্রাণ কিনে আসার সময়, রোজারত এক গণমাধ্যম কর্মী একটি ট্রাফিকের কাছে সহযোগিতা চাওয়ার জন্য তার হাতে দরে পাশ ঘুড়েই সে তার গালে চড় বসিয়ে দেয় এবং বলে “আমি আমার কর্তৃপক্ষের কাজ করতেছি, তুই কিসের সাংবাদিক তর কথায় আমার চলতে হবে?”
পরক্ষণেই এই দৃশ্য আরেক সাংবাদিকের চোখে পড়লে, সে থামাতে গেলে তার ওপরেও চড়াও হয় সেই কর্কশ কনস্টেবল রিদয়।উপস্থিত জনতার সামনে এভাবে একজন সাংবাদিকে গায়ে হাত তুলার পরেও তার ভিতরে নেই বিন্দু মাত্র অনুশোচনা। বরং সে উচ্চ সরে বলতেছে, “তোরা আমার কি করবি কর, আমি এসব পরোয়া করি না।” ইফতারে আগ মুহূর্ত হওয়ায় সবাই ব্যস্ত, তাই নারায়ণগঞ্জ সদর থানার এস আই ( মোস্তফা) এসে তার হয়ে ক্ষমা চেয়ে, ঘটনা স্থল থেকে সাংবাদিকদের যাওয়ার অনুরোধ করে।পরক্ষণেই বেশ কিছু গণমাধ্যম কর্মী ঘটনা স্থলে উপস্থিত হইলে,কনেস্টেবল রিদয় ১ নং গেইট থেকে মেট্টহল ট্রাফিক অফিসে চলে যায়।
সেখানেও অনেক গণমাধ্যম কর্মী উপস্থিত হলে, সে মন গড়া গল্প সাজায়।এবং মিথ্যা বানোয়াট কথা বলতে থাকে।তবে সাংবাদিকের মুঠোফোনে বিডিও থাকায়, তার সে বানোয়াট অভিযোগ টেকেনি।এডমিন সহ সমাই সহনশীলতা দেখালেও তার ভিতরে অপরাধ বোধ এর ছিটেফোঁটাও ছিলো না।তবে উপরের কর্মকর্তারদের চাপেই ইচ্ছা না থাকার পরও সে স্যরি বলে ও হাসতে থাকে।রাস্তায় থাকা কিছু দোকানদার তার পক্ষে কথা বললেও বেশ কিছু লোক তার এই আচারণে অসন্তুষ্ট প্রকাশ করে আরিফ নামের এক ব্যক্তি বলে “আগে পরে অনেক পুলিশ এখানে ডিউটি করেছে ভালো মন্দ মিলাইয়াই মানুষ তবে, এই পুলিশকে মনে হয় পরিবার ভালো ভাবে শিখাতে পারে নাই,সে বুড়ো থেকে যুবক সবার সাথে এতো খারাপ আচারন করে তা তো আপনারা মনে হয় বুঝতে পারছেন,আপনাদেরই ছারে নাই আর কি কমু” আমরা জানি পুলিশ জনতা, জনতাই পুলিশ, পুলিশ সাধারণ মানুষের ভরসা ; তবে এমন পুলিশ জনতার জন্য কতোটা আস্থাশীল বা ভরসা নিয়ে আসবে না কারোরি বোধগ্যমে নেই।
এমন পুলিশ সদস্যের জন্যই সাধারণ জনগণের হয়রানি সহ পরতে হয় নানা বিপাকে। এসব পুলিশ নামের সন্ত্রাসের হাত থেকে রক্ষা কবে পাবে জনগন।চলবে…….