
মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে দীর্ঘদিনে বিরোধপূর্ণ সম্পত্তিতে গেইট নির্মাণ ও ভিটি পাকাকরণ কে কেন্দ্র করে মারামারি ঘটনা ঘটেছে।এতে উভয়পক্ষের ৮ জন আহত হয়েছে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
রবিবার ২১ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের মধুপুর মনিপাড়া মধুপুর পঞ্চায়েত কমিটির মন্দিরে এঘটনা ঘটে।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা আক্তার ও সিরাজদিখান সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো:ইব্রাহিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,নয়ানগর মৌজার আরএস ১০৪ দাগের ১ এককর ৫২ শতাংশ জমির মধ্যে ২৭ শতাংশ জমি নিয়ে চঞ্চল গংদের সাথে মন্দির কমিটির সাথে দীর্ঘদিন যাবত যাবত বিরোধ চলে আসছে।এতে মধুপুর পঞ্চায়েত কমিটির মন্দির নামের একটি মন্দির রয়েছে।এ সম্পত্তিতে গত কয়েকদিন যাবত গেইট নির্মাণ ও ভিটি পাকাকরণ কাজ চলছিল।এতে মধুপুর গ্রামের একপক্ষ ৪৫ চঞ্চল ৫২ পিতা মৃত মতি মিয়া গং বাধা দিলে এ মারামারির ঘটনা ঘটে।
আরো জানা যায় চলতি বছরের গত ফেব্রুয়ারী মাসে উভয়পক্ষ ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গদের সাথে নিয়ে রাজানগর ইউনিয়নের মধুপুর মনিপাড়া মধুপুর পঞ্চায়েত কমিটির মন্দিরে বসে উভয়পক্ষ কে আদালতে সহায়তা নেওয়ার নির্দেশ দেন।পাশাপাশি
এ বিরোধপূর্ণ সম্পত্তিতে স্থায়ী কাঠামো নির্মানের নিষেধ প্রদান করেন।আহত চঞ্চল মিয়ার চাচাত বড় ভাই মো: নাসিরউদ্দিন (৫৯) জানান,এ সম্পত্তি আমাদের পুর্বপুরুষের ওদের কোন কাগজপত্র নাই।এ নিয়ে আমরা সমাধানের জন্য কয়েকবার স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে বসেছি কিন্তু কোন কাজ হয়নি।মিমাংসার জন্য গত ফেব্রুয়ারী মাসে আমাদের উভয়কে নিয়ে উপজেলা ইউএনও স্যার বসেছিলো।তিনি আমাদের উভয়কে আদালতে যেতে বলেছেন আর এ সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত
এ সম্পত্তিতে কোন প্রকার নির্মান করতে নিষেধ করে গেছেন।মধুপুর পঞ্চায়েত কমিটির মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক ধীরেন দাস জানান,আমি থানা পুলিশের সাথে আমাদের শারদীয় দুর্গোৎসবের মিটিংয়ে ছিলাম আমার সাথে উপজেলার ১৩২ টি পুজা কমিটির লোক ছিলো এর মাঝে ফোনে জানতে পারলাম আমাদের মন্দিরে মারামারির ঘটনা ঘটেছে এতে আমাদের কয়েকজন আহত হয়েছে।আমি সাথে সাথে ওসি সাহের কে জানালাম তিনি সাথে সাথে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।