
স্টাফ রিপোর্টারঃ
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে সরকারি খাল খনন কাজে অনিয়মের ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের সংবাদ প্রকাশের ১দিন পর তড়িঘড়ি করে অনিয়মের টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হয়েছে। গত ২৭ শে জুলাই গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে এ খাল খনন নিয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।
জানাযায়, ২৮ শে জুলাই সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর সিরাজদিখান শাখায় ২৬২৭-০০০৬৫৩৪৭৮০ ট্র্যাকিং নম্বরে ব্যক্তি কর্তৃক দেওয়া আয়কর ৩৫ হাজার টাকা, ২৬২৭-০০০৬৫৩২৪৮৬ ট্র্যাকিং নম্বরে ৭০ হাজার টাকা ভ্যাট ও ২৬২৭-০০০৬৫৩৯১৮৬ ট্র্যাকিং নম্বরে ২৮ লাখ ৯১ হাজার ৫২৫ অতিরিক্ত টাকাসহ মোট ২৯ লাখ ৯৬ হাজার ৫২৫ টাকা জমা দেন উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মোসাঃ সাজেদা সরকার।
প্রকল্প শেষ হওয়ার প্রায় দেড় মাস পর সংবাদ প্রকাশ হলে অর্থ ফেরত দোয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি উঠেছে।প্রায় ৬০০ মিটার খাল পুনঃখনন হওয়া নিয়েও বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
উল্লেখ্য,উপজেলার রশুনিয়া খালের দানিয়াপাড়া ব্রিজের পূর্ব পার্শ্ব হতে মোতার জাহান বাড়ির দক্ষিণ পার্শ্ব পর্যন্ত খাল পুনঃখননে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান (ইজিপিপি) খাল পুনঃখননে নথিপত্র শ্রমিক থাকলেও ভেকু দিয়ে কাজ করা হয়। ১.২ কি.মি (১২০০ মিটার) খাল খননে মাত্র ৬০০ মিটার কাজ করে প্রকল্প শেষ করে।প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি অনুযায়ী টাকা উত্তোলনের নিয়ম থাকলেও ২৫ এ এপ্রিল খাল খনন শুরু করে ৩০ এ এপ্রিলে ৩৬৩১১০৭ ক্রমিক নং ও ০০০২৩৭৯৭ নম্বর ট্রোকেনে প্রকল্পের সম্পূর্ণ ৪৬ লাখ ৩৯ হাজার ২৫ টাকা উত্তোলন করা হয়।
প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ১.২ কি.মি দৈর্ঘ্য খাল খননের প্রাক্কলিত মাটির কাজের পরিমাপ ৪ লাখ ২১ হাজার ৭২১ ঘনফুট, ২১ লাখ ৪০ হাজার টাকা উপকারভোগী শ্রমিকের মজুরি, ২৪ লাখ ৯৪ হাজার ৭৪৫ টাকা নন-ওয়েজ কষ্ট, ৪ হাজার ২৮০ টাকা সর্দার ভাতা, দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরিতে উপকারভোগী শ্রমিকের সংখ্যা ১০৭ জন, ৪০ দিনের কর্মসূচিতে ২৫ এ এপ্রিল থেকে ১৩ ই জুন ২০২৬ ইং প্রকল্পের কাজ শেষ হয়।