1. banglamatirnews@gmail.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. reajulislam853@gmail.com : reajulislam853@gmail.com reajulislam853@gmail.com : reajulislam853@gmail.com reajulislam853@gmail.com
  3. sumonbkb7@gmail.com : sumonbkb7@gmail.com sumonbkb7@gmail.com : sumonbkb7@gmail.com sumonbkb7@gmail.com
  4. banglamatirnewsads@gmail.com : User 1 :
তিস্তা এক্সপ্রেসের এক ভিন্ন গল্প | বাংলা মাটির নিউজ
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
উলিপুরের দুর্গাপুর বাজারে মৎস্য আইন বাস্তবায়ন অভিযান, অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ ও ধ্বংস এনএসআই এর বিশেষ অভিযান ৩ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, জরিমানা ৪ লাখ টাকা সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর (এনএসআই)-এর তথ্যের ভিত্তিতে সরকারি অনুমোদনবিহীন তিনটি রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যৌথ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।  অভিযানে অবৈধ বিজ্ঞাপনের বিলবোর্ড অপসারণের পাশাপাশি দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ সড়ক জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই ২০২৬) সকাল ১১টা ৫০ মিনিট থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সিরাজদিখান উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের লক্ষ্মীবিলাস গ্রামে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর (এনএসআই), মুন্সীগঞ্জ জেলা এবং সিরাজদিখান উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সরকারি অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত সিলভার গ্রীন সিটি হাউসিং প্রকল্প, নাভানা রিয়েল এস্টেট কোম্পানি এবং প্রিন্স সিটি-র অবৈধ বিজ্ঞাপনের বিলবোর্ড অপসারণ ও ভেঙে ফেলা হয়। একই সঙ্গে রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ২০ ধারায় সিলভার গ্রীন সিটি হাউসিং প্রকল্পকে ২ লাখ টাকা এবং নাভানা রিয়েল এস্টেট কোম্পানিকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা ঘোষ।  এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিনথিয়া হোসেন। অভিযান চলাকালে স্থানীয় গ্রামবাসী ভ্রাম্যমাণ আদালতকে জানান, সিলভার গ্রীন সিটি কর্তৃপক্ষ প্রায় ২০ বছর আগে লোহার রেলিং স্থাপন করে লক্ষ্মীবিলাস গ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। ফলে স্থানীয় বাসিন্দা, বিশেষ করে মুসল্লিরা মসজিদে যাতায়াতসহ দৈনন্দিন চলাচলে দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগের শিকার হন। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর (এনএসআই)-এর তথ্য এবং উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ওই রাস্তাটি পুনরায় জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হওয়ায় লক্ষ্মীবিলাস গ্রামের বাসিন্দারা স্বস্তি ও সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা জানান, রাস্তা উন্মুক্ত হওয়ায় এখন স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছেন এবং এ উদ্যোগের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। মুন্সীগঞ্জের ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের রাস্তা পার হতে গিয়ে গাড়ির চাপায় ভেঙ্গে গেলো নারীর দুই পা নওগাঁয় পিপলস সিটির জমি দখলচেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা জাতীয় সাপ্তাহিক মুক্ত বাংলা’র ব্যুরো প্রধান হিসেবে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন সাংবাদিক মোঃ আমিনুল ইসলাম মিঠু। রংপুরে বোরকার ভিতর থেকে গাঁজা উদ্ধার মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাব পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক, গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকার আহবান মুন্সীগঞ্জের্যষর সিরাজদিখানে হতদরিদ্র নারী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মৎস্য খাতের উন্নয়নে বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে কমিউনিটি পুলিশিং উপলক্ষে জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধা জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আলালের ভাই সাজাপ্রাপ্ত মাদক সম্রাট আতাউর ৬৫ বোতল এসকাফসহ র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার*

তিস্তা এক্সপ্রেসের এক ভিন্ন গল্প

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৯ মার্চ, ২০২৪
  • ৩২৫ বার
তিস্তা এক্সপ্রেসের এক ভিন্ন গল্প
তিস্তা এক্সপ্রেসের এক ভিন্ন গল্প

মোঃ রাজু মিয়া, বিশেষ প্রতিনিধিঃ গতকাল চাকরি জীবনের বিচিত্র এক অভিজ্ঞতা অর্জন করলাম।
ডিউটি ছিল প্রিয় তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনে। ১০.৩০ এর ট্রেন ময়মনসিংহ আসলো ১২ টায়। মনটাই খারাপ। জুম্মার নামাজটা পড়া হবেনা!

মন খারাপ ঝেড়ে ফেলে দায়িত্বের তাগিদে চেকিং শুরু করলাম। একটানা প্রায় ৪০ মিনিট চেক করার পর ট্রেন এসে থামলো নুরুন্দি স্টেশনে। অথচ এই স্টেশনে ট্রেনটির যাত্রাবিরতী নেই। কৌতুহলবশত অনির্ধারিত এই যাত্রাবিরতির কারণ খুজতে গিয়ে দেখতে পেলাম পাশের লাইনে আরেকটি লোকাল ট্রেন দাঁড়িয়ে আছে। তারমানে ক্রসিংয়ের জন্য দাঁড়ানোর কথানা! হঠাৎ শুনতে পেলাম পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনের লোকোমাস্টার (ট্রেনচালক) সাহেব স্ট্রোক করেছেন। তাকে আমার ট্রেনে উঠিয়ে জামালপুর হাসপাতালে নেয়া হবে। দৌড়ে গেলাম তার কাছে। দেখি আমাদের দেওয়ানগঞ্জ লোকোসেডের এলএম মল্লুক ভাই স্ট্রোক করেছেন। তাকে তড়িঘড়ি করে জ কোচে উঠানো হল। কিন্তু কোন সিট খালি নেই। দুজন ভদ্রলোক তাদের আসন ছেড়ে দিলে মল্লুক ভাইকে সেখানে বসানো হল। চেহারা দেখে অনুমান করলাম অবস্থা সম্ভবত খুব একটা ভালো না।

তড়িঘড়ি করে ডাক্টারের খোঁজ করলাম। ভাগ্যবশত সেই কোচেই ডাক্টার পেয়ে গেলাম। আসলে ডাক্তার না, বলতে পারেন আল্লাহর পাঠানো ফেরেশতা পেয়ে গেলাম। ডাক্তার সাহেব রোগীর অবস্থা দেখেই বুজতে পারলেন অবস্থা ভালোনা। রোগী কোন কথা বলতে পারছেনা। হালকা ইশারা করতে পারছে শুধু। বুজতে পারলেন স্ট্রোক হয়েছে। বললেন ট্রেনে অমুক অমুক ঔষধ আছে কিনা। না বলার পর খোঁজ নিতে বললেন ট্রেনে কোন হার্টের রোগী আছে কিনা, থাকলে তার কাছে ঔষধ থাকতে পারে। সৃষ্টিকর্তার কি অসীম দয়া সাথে সাথেই একজন হার্টের রোগী পেয়ে গেলাম এবং তার কাছে প্রয়োজনীয় তিনটি ঔষধের দুটি পাওয়া গেল। ডাক্তার সাহেব আর আমি নিজ হাতে চারটি চারটি আটটি ট্যাবলেট খায়িয়ে দিলাম। ডাক্তার সাহেব বললেন রোগীকে কাছেই হাসপাতালে নিতে হবে। পরবর্তী যাত্রাবিরতি জামালপুর। কিন্তু বিধিবাম জামালপুর স্টেশন মাষ্টারের নাম্বার নেই। ফোন করলাম ময়মনসিংহে অবস্থানরত আমাদের প্রিয় টিআইসি শাহীন স্যারকে।স্যার কে প্রয়োজনীয় সবকিছু বলার পর তিনি জামালপুর স্টেশন মাষ্টারের সাথে যোগাযোগ করলেন। এদিক দিয়ে রোগীকে নেয়ার জন্য এম্বুলেন্স প্রয়োজন। ফোন দিলাম জামালপুর জিআরপি থানার সেকেন্ড অফিসার তারা ভাইকে। ভাইকে সবকিছু খুলে বলার পর বললেন ফায়ার সার্ভিসের এম্বুলেন্স আনা যাবে। বললাম তারাতাড়ি সেটাই করেন।

এদিকে একটু পর রোগীর অবস্থা কিছুটা ভালো হচ্ছে মনে হচ্ছিল। ঔষধ কাজ করছিল হয়ত। কিন্তু হাসপাতালে নিতেই হবে। ডাক্তার সাহেব তখনো রোগীর সাথে। উনি উনার কাজ করেই চলেছেন। পুরো সময়ের মধ্যে এক মিনিটের জন্যও তিনি রোগীর কাছ থেকে সরেননি।

এরই মাঝে ট্রেন জামালপুর চলে আসল। মল্লুক ভাইকে নামানো হল ট্রেন থেকে। সেকেন্ড অফিসার তারা ভাই তার দুজন কনস্টেবল এবং জামালপুর স্টেশনের সহকারী স্টেশন মাষ্টারকে সাথে নিয়ে রোগীকে বুজে নিলেন। এরপর খুব দ্রুতই তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল। আমার গন্তব্যস্থল পর্যন্ত ডিউটি থাকায় আমি আর সাথে যেতে পারিনি।

ট্রেনে উঠে আবার সেই ডাক্তার সাহেবের কাছে গেলাম।তার সাথে পরিচিত হলাম। মহান এই মানুষটির নাম ডাক্তার কাজী জুবায়ের হাসান। তিনি একজন কার্ডিওলজিষ্ট। কর্মরত আছেন ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে।
নিজের অন্তরের অন্তস্তল থেকে এবং আমার রেলের পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ জানালাম। স্যার বললেন আর ১০-১৫ মিনিট দেরি হলে হয়ত কোন দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত। ভাগ্য ভালো প্রয়োজনীয় ঔষধ দুটো পাওয়া গিয়েছিল। কথা বললাম ঔষধ দিয়ে সাহায্য করা সেই মানুষটির সাথে। তার নাম হানিফ উদ্দিন। বাড়ি জামালপুরেই। তাকেও ধন্যবাদ জানালাম।

পুরো ঘটনাটি আমার কাছে মিরাকল লেগেছে। ভাবতেই পারিনি এমন একটি ঘটনার মুখোমুখি হব কিংবা এর সাথে নিজেও এভাবে জড়িয়ে যাব। সবকিছুর জন্য সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা।

ভালো থাকুক সেই মহান ডাক্তার জুবায়ের স্যার, ঔষধ দিয়ে সাহায্য করা হানিফ সাহেব এবং নানাভাবে এই ঘটনায় সাহায্য করা প্রতিটি মানুষ। জয় হোক মানবিকতার। মহান সৃষ্টিকর্তা সবাইকে যেন এর উত্তম প্রতিদান দান করে।

Please Share This Post in Your Social Media

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

এনএসআই এর বিশেষ অভিযান ৩ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, জরিমানা ৪ লাখ টাকা সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর (এনএসআই)-এর তথ্যের ভিত্তিতে সরকারি অনুমোদনবিহীন তিনটি রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যৌথ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।  অভিযানে অবৈধ বিজ্ঞাপনের বিলবোর্ড অপসারণের পাশাপাশি দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ সড়ক জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই ২০২৬) সকাল ১১টা ৫০ মিনিট থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সিরাজদিখান উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের লক্ষ্মীবিলাস গ্রামে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর (এনএসআই), মুন্সীগঞ্জ জেলা এবং সিরাজদিখান উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সরকারি অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত সিলভার গ্রীন সিটি হাউসিং প্রকল্প, নাভানা রিয়েল এস্টেট কোম্পানি এবং প্রিন্স সিটি-র অবৈধ বিজ্ঞাপনের বিলবোর্ড অপসারণ ও ভেঙে ফেলা হয়। একই সঙ্গে রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ২০ ধারায় সিলভার গ্রীন সিটি হাউসিং প্রকল্পকে ২ লাখ টাকা এবং নাভানা রিয়েল এস্টেট কোম্পানিকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা ঘোষ।  এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিনথিয়া হোসেন। অভিযান চলাকালে স্থানীয় গ্রামবাসী ভ্রাম্যমাণ আদালতকে জানান, সিলভার গ্রীন সিটি কর্তৃপক্ষ প্রায় ২০ বছর আগে লোহার রেলিং স্থাপন করে লক্ষ্মীবিলাস গ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। ফলে স্থানীয় বাসিন্দা, বিশেষ করে মুসল্লিরা মসজিদে যাতায়াতসহ দৈনন্দিন চলাচলে দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগের শিকার হন। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর (এনএসআই)-এর তথ্য এবং উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ওই রাস্তাটি পুনরায় জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হওয়ায় লক্ষ্মীবিলাস গ্রামের বাসিন্দারা স্বস্তি ও সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা জানান, রাস্তা উন্মুক্ত হওয়ায় এখন স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছেন এবং এ উদ্যোগের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বাংলা মাটির নিউজ

MPTBD
সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৩:৫৫
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৬:৪৯
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:০১
  • ১২:০৮
  • ৪:৪৩
  • ৬:৪৯
  • ৮:১২
  • ৫:২৪

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
সোম মঙ্গল বুধ বৃহঃ শুক্র শনি রবি
« জুন    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  

All rights reserved © 2026 |  বাংলা মাটির নিউজ
Design by Raytahost