
কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
উলিপুর উপজেলা দুর্গাপুর ইউনিয়নের যমুনা পশুরী পাড়া মাঠের পার ৬ নং ওয়ার্ডের মৃত্যু খলিলুর রহমানের পুত্র আব্দুল কাইয়ুম ও মোঃ আইয়ুব আলী অভিযোগ করেন যে বিভিন্নভাবে আমাদের জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আমাদের ইউনিয়ন ভূমি অফিসে হয়রানির স্বীকার হচ্ছি।
আইয়ুব আলী বলেন দুর্গাপুরের ভূমি অফিসের কর্মকর্তা তৌশিলদার এসে প্রথম তদন্ত করে জানালেন যমুনা মৌজার আর,এস ১৩৬৫ নং খতিয়ানের জমি অফিস সহায়ক সহ সরেজমিন তদন্ত করি।তদন্তকালে বাদী-বিবাদী ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন।সরেজমিন তদন্তে রেকর্ডপত্র যাচাই করে দেখা যায় যে,উল্লেখিত সিনিয়র সহকারী জজ আদালত উলিপুর,কুড়িগ্রাম এর মোকদ্দমার আদেশ মোতাবেক যমুনা মৌজারনালিশী১৩৬৫ খতিয়ানে নুর হোসেন পিং বোনা উল্যা ১৩৬৯ নং খতিয়ানে নুরুল হোসেন গং পিং বোনা উল্যা, ১৩১৯নং খতিয়ানে নুরুজ্জামান সরকার পিং বোনা উল্যা সরকার ও ৬৫১ নং খতিয়ানে আব্দুল মান্নান পিং নুরুজ্জামান নামে লিপিবদ্ধ আছে।বাদীপক্ষ ৩৪/২০০১ জেলা জজ আদালতে ৩৪/২০০১ অন্য আপিল মোকদ্দমা আনয়ন করে বিগত ১৯/১০/২০০২ইং তারিখে সোলেসূত্রে ০৩০ একর জমি মালিকানা সাবস্থ হন।বর্তমানে উক্ত নালিশী জমি বিবাদীর দখলে আছে এবং এতে কোন সরকারী স্বার্থ জড়িত নাই।
দুর্গাপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোছাঃ মেরীনা ইয়াছমিন তার লিখিত রেকর্ড সংশোধনের জন্য উপরোক্ত বিষয় গুলোর প্রতিবেদন দেন।
এরপর আইয়ুব আলী প্রতিবেদনটি ভুল মনে করলে আবারো একটি অভিযোগ করেন।
অভিযোগের পর আবারো দুর্গাপুর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোছাঃ মেরীনা ইয়াছমিন রেকর্ড সংশোধনের আবেদন ভুল হওয়া প্রসঙ্গে উপরোক্ত বিষযের প্রেক্ষিতে জানান যে,দূর্গাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, ২০/০৯/২০২৩খ্রিঃ তারিখের আদেশ মোতাবেক উক্ত আবেদনের সাথে রেকর্ডপত্রের কোন মিল না থাকায় প্রতিবেদন প্রেরণ করা গেল না।ইহা মহোদয়ের সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রেরণ করা হলো।এরকমভাবে দীর্ঘদিন থেকে হয়রানির শিখার ভুক্তভোগী আইয়ুব আলী ও তার পরিবার এতে আইয়ুব আলী অভিযোগ তুলে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের সুদৃষ্টি কামনা করেন সেই সাথে উলিপুর উপজেলা ইউ এনওর কাছে সার্বিক সহযোগিতা চান।