
স্টাফ রিপোর্টার
এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে মুন্সীগঞ্জের তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেননি।প্রতিষ্ঠান তিনটির মোট ১৩ জন পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।এর মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ১০ জন, অন্য দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে যথাক্রমে একজন ও দুজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তিনটি হলো সিরাজদিখান উপজেলার রাজদিয়া অভয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ,শ্রীনগর উপজেলার হাসাড়া কালী কিশোর স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং লৌহজং উপজেলার মেদিনীমণ্ডল গার্লস কলেজ।
শনিবার ৩১ অক্টোবর প্রকাশিত প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, সিরাজদিখান উপজেলার রাজদিয়া অভয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে একজনও পাস করতে পারেননি।শ্রীনগর উপজেলার হাসাড়া কালী কিশোর স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মাত্র একজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে তিনিও অকৃতকার্য হয়েছেন। অন্যদিকে,লৌহজং উপজেলার মেদিনীমণ্ডল গার্লস কলেজ থেকে দুজন পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউ উত্তীর্ণ হতে পারেননি।
এদিকে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় মুন্সীগঞ্জ জেলায় সামগ্রিক পাসের হার ৫০ দশমিক ৬২ শতাংশ।জেলায় মোট ৮ হাজার ৬১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪ হাজার ৩৬১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫৫ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৪ হাজার ২৫৪ জন।
জেলার ছয়টি উপজেলার ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পাসের হারে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে লৌহজং উপজেলা। এ উপজেলায় পাসের হার ৬৪ দশমিক ৯১ শতাংশ। অন্যদিকে, সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে গজারিয়া উপজেলা। সেখানে পাসের হার মাত্র ৩২ দশমিক ৯৪ শতাংশ।
জেলার সামগ্রিক পাসের হার ৫০ শতাংশের কিছু বেশি হলেও তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ পরীক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মান ও ফলাফল নিয়ে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।