
মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা যুবদল এর আহ্বায়ক সদস্য মো:শেখ সিফাত ইসলাম জনি বিএনপি’র প্রভাবশালী নেতা তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি,জবরদখল ও আওয়ামী লীগ নেতা এবং মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হলে থানায় তকদির বাণিজ্যের বিস্তর অভিযোগ উঠেছে।সে এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী।তার স্ত্রী শেখ রেহেনা (সুন্দরী)রশুনিয়া ইউনিয়ন যুব মহিলা লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক স্বামী-স্ত্রী বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মাদক মামলা।৫ আগষ্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্রজনতার আন্দোলনে স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর হতে সন্ধ্যা হলে মাদক ব্যবসায়ী ও ক্যাডার বাহিনী নিয়ে থানায় ও থানার সামনে দোকান গুলোতে জমজমাট আড্ডা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।সে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার রশুনিয়া ইউনিয়নের হিরনের খিলগাঁও গ্রামের মৃত রিপন শেখের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান,জনি ও তার স্ত্রী এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী তারা একাধিক বার মাদক সহ গ্রেফতার হয়েছে। ৫ আগষ্টের পরে হয়ে উঠে সে বিএনপির প্রভাবশালী নেতা।এ পরিচয়ে এলাকায় পক্ষপাতিত্ব বিচার-সালিশ করে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা । তার করা বিচার-সালিশ মানতে অস্বীকৃতি জানালে আসে মামলা হামলার হুমকি।এতে আমারা অতিষ্ঠ।আরো জানান একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী কিভাবে থানায় বসে বিচার -সালিশ করে আবার সাঙ্গোপাঙ্গ সব মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ে থানার সামনে অনবরত আড্ডা দেয়।
সিরাজদিখান কেন্দ্রীয় বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ এর সাধারণ ফজলুর হক বলেন,মো:শেখ সিফাত ইসলাম জনি আমার সমিতির কেহ না।সে আমার মার্কেট দখল করতে আসে দোকানদারদের নিকট ভাড়া ও চাঁদা চায় এবিষয়ে আমরা জয়েন্ট রেজিস্টার এর নিকট আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানাবো।এসব লোক দিনে রাজনৈতিক নেতাদের সাথে ঘুরে আর রাতে মাদক ব্যবসা করে এদের নিয়ে যেসব ক্লিন ইমেজের নেতারা ঘুরেন তাদের অনুরোধ করবো সতর্ক হওয়ার জন্য।
রশুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক শিকদার জানান,এলাকার সব জনগণই জানে শেখ সিফাত ইসলাম জনি একজন মাদক ব্যবসায়ী নয় সে মাদক সম্রাট।এর কারনে স্বামী-স্ত্রী একাধিক বার গ্রেফতার হয়েছে।এবিষয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে খোঁজ নিলে আরো পরিস্কার ভাবে জানতে পারবেন।জোর জুলুম অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে এলাকাবাসী খুব শীঘ্রই এদের গ্রেফতারের দাবীতে গণ মিছিল করবে।এরকম চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী কিভাবে বিএনপির নাম বিক্রি করে।বিএনপি একটি সুন্দর ও স্বচ্ছ রাজনৈতিক দল।জনি কিভাবে থানায় গ্রেফতার হওয়া আসামীদের পক্ষে থানায় এসে তকদীর করে।সে থানায় আসা যাওয়ার বিষয়ে আমি ওসি সাহেবকে সব অবগত করেছি সে কোন ভাবে যেনো থানায় আসতে না পারে।জনির বিষয়ে আমাদের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করবো ব্যবস্থা নেওয়ার।
শেখ সিফাত ইসলাম জনি বলেন,গত ৫ আগষ্টের পরে প্রভাবশালী এক নেতা আমার বিরুদ্ধে এ অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি এসবের মধ্যে জড়িত নই।
সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম হায়দার আলী বলেন এম হায়দার আলী বলেন,তার বিরুদ্ধে যদি সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ থাকে তাহলে যুবদল তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিবে এমনটাই নিদের্শনা দেওয়া আছে।